Posts Tagged ‘ভালবাসা’

ব্লগার এবং লেখক শ্রদ্ধেয় উত্তম চক্রবর্তী’র “ভালোবাসা কারে কয়” বইটি হাতে পেয়েছি বেশ কিছুদিন আগেই। পড়া-ও শেষ হয়ে গিয়েছিল কিন্তু সময়ের অভাবে বইটি কেমন লাগলো তা লিখে উঠতে পারছিলাম না।

1-vv

আখর থেকে প্রকাশিত  বইটি উত্তমবাবু’র বইটির নাম দেখলেই বোঝা যায় এটি আদ্যন্ত প্রেমের গল্প বা ভালবাসার গল্প। তবে, একটি নয়, মোট ছ-টি গল্পের সঙ্কলন এই বই। প্রতিটি গল্পেই মানুষের চরিত্র তথা জীবনের বিভিন্ন রূপ উন্মোচিত হয়েছে। ষড়রিপু, অর্থাৎ, কাম-ক্রোধ-লোভ-মোহ-মদ-মাৎসর্য যেভাবে মানুষের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে, তার সাবলীল বর্ণনা ফুটে উঠেছে লেখকের কলমে। প্রতিটি গল্পেই প্রেম-ভালবাসা একটি বিশিষ্ট চরিত্র হিসেবে থাকলেও তা বাড়াবাড়ি’র পর্যায়ে যায়নি কখনো। ছয়টি গল্পের চরিত্র, ঘটনাপ্রবাহ এবং বুনন আলাদা হলেও তাদের মধ্যে যোগসূত্র হল– ভালবাসা।

আমার সবচেয়ে ভাল লেগেছে “অন্তঃসলিলা” নামক গল্পটি। প্রেম যে শুধু ভোগ নয়, ত্যাগ করতেও শেখায় এবং তা এক চরম তৃপ্তিও দিতে পারে, এই গল্পটি তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। “জীবনজুয়াড়ি” গল্পে  সমাপতন বড় বেশি, একটু যেন পৌনঃপুনিকতায় দুষ্ট গল্পের ঘটনাবলী। “আতরের গন্ধ” গল্পটি ভারি মায়াময়। শেষ গল্পটি’র নামেই বইটি’র নাম— “ভালবাসা কারে কয়”। সুন্দর উপস্থাপনা, একদিকে যেমন দেখানো হয়েছে একটি মেয়ের  স্বাধীন, অনমনীয় মনোভাব, অন্যদিকে তেমনি ফুটে উঠেছে প্রেমের চিরন্তন টান।

সব মিলিয়ে বইটি পড়তে ভাল লাগে।  হয়ত কোথাও যাচ্ছেন, ট্রেনে বা প্লেনে, তখন সফরসঙ্গী হিসেবে সঙ্গে রাখতেই পারেন উত্তম চক্রবর্তী’র এই বইটি।

সবশেষে, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, উত্তমদা, লেখকের সই সহ বইটি উপহার দেওয়ার জন্য। ভাল থাকুন, আরো অনেক লেখায় সমৃদ্ধ হোক আপনার পাঠককূল, এই শুভেচ্ছা রইল।

লেখকে’র ব্লগ লিঙ্কঃ এইখানে ক্লিক করুন

Advertisements

পাখীর মতো উড়তে পারি আজো
তুমি যদি বলো তবে ছাড়তে পারি লাজও|
গানের খাতায় তোমার ছোঁয়া , কৈশোর শেষ প্রান্ত
গনগনে রোদ,বিনা মেঘে,ঝিলিক তবু হানত
ধূসর আলোর কুয়াশারা ছায়ার মতো ডাকে
আসব আমি,দ্যাখা হবে তেপান্তরের বাঁকে
তোমার লেখা তোমার ছবি হারিয়ে গেছে স্ক্রিনে
কে ফেরাবে ? হৃদয় উথাল, যন্ত্রণা নেয়  চিনে |

DSCN0481